যশোর ও খুলনাসহ সারা দেশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা দিবস। বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের শুভেচ্ছাও পেয়েছে বাংলাদেশ।
যশোর ও খুলনায় বর্ণাঢ্য আয়োজন, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা
গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সারা দেশে বর্ণাঢ্য আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যশোর ও খুলনায় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ ও মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনার মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে।
যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, “মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় জীবনের গৌরবোজ্জ্বল দিন। এ দিনের চেতনা ধারণ করে আমাদের সবাইকে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করতে হবে।”
খুলনায় সূর্যোদয়ের সাথে সাথে গল্লামারী শহিদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। জেলা স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ।
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বাংলাদেশিদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “মালদ্বীপ বাংলাদেশকে বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেশী এবং উন্নয়নের অংশীদার মনে করে। আমাদের জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে আমাদের অংশীদারত্বকে শক্তিশালী করেছে।”
রাজধানীর জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। দিনটি উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
